হোমএআই নিউজGemini Notebook-এর Daily Limit বদলে যাচ্ছে, কিন্তু Unlimited হচ্ছে না - কিছুটা...
ক্যাটেগরি:

Gemini Notebook-এর Daily Limit বদলে যাচ্ছে, কিন্তু Unlimited হচ্ছে না – কিছুটা জটিল

Gemini Notebook হারাচ্ছে দৈনিক Limit, আসছে Weekly limit

Gemini Notebook নিয়মিত ব্যবহার করলে একটা ভালো খবর আছে—আবার সঙ্গে একটু হিসাবও আছে। Google আগামী ২ সেপ্টেম্বর থেকে fixed daily usage limit সরিয়ে নতুন compute-based limit চালু করছে।

আগে নির্দিষ্ট feature দিনে কতবার ব্যবহার করা যাবে, সেই হিসাবে limit ছিল। নতুন ব্যবস্থায় আপনি কতগুলো prompt দিলেন শুধু সেটা নয়, কাজটা করতে কতটা computing power লাগছে সেটাও হিসাব করা হবে।

Google-এর official announcement অনুযায়ী, নতুন limit প্রতি ৫ ঘণ্টায় refresh হবে। তবে এখানেই একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে—weekly limit-ও থাকবে। তাই “daily limit নেই” শুনে সারাদিন unlimited ব্যবহার করা যাবে ধরে নিলে ভুল হবে।

Gemini, ChatGPT এবং নতুন AI tool নিয়ে আরও খবর পাওয়া যাবে TechnicalBD-এর AI News বিভাগে

নতুন Limit হিসাব হবে কীভাবে?

পুরোনো ব্যবস্থাটা বোঝা তুলনামূলক সহজ ছিল। নির্দিষ্ট feature দিনে কতবার ব্যবহার করা যাবে, সেটা জানা থাকলে নিজের কাজও সেই হিসাবে ভাগ করে নেওয়া যেত।

নতুন ব্যবস্থায় হিসাবটা একটু অন্যরকম। Google বলছে, prompt কতটা complex, conversation কত লম্বা, notebook-এ কতগুলো source আছে এবং কোন feature ব্যবহার করছেন—এসব মিলিয়ে আপনার overall usage নির্ধারণ করা হবে।

অর্থাৎ দশটা সাধারণ প্রশ্ন আর দশটা heavy AI task এখন আর একই হিসাবে দেখা হবে না। ছোট text prompt কম compute ব্যবহার করতে পারে, যেখানে বড় Video Overview বা Slide Deck তৈরিতে অনেক বেশি resource প্রয়োজন হতে পারে।

Google-এর official Gemini Notebook Help page-এও বলা হয়েছে, model ও feature-এর ধরন এবং chat-এর দৈর্ঘ্য usage limit-এর ওপর প্রভাব ফেলবে।

তাহলে প্রতি ৫ ঘণ্টা পর আবার Full Limit?

এই জায়গাটায় একটু সাবধান হওয়া দরকার। Google বলছে quota প্রতি পাঁচ ঘণ্টায় refresh হবে, যতক্ষণ পর্যন্ত weekly limit-এ পৌঁছানো না হয়

মানে সকালে অনেক কাজ করে temporary limit-এ পৌঁছে গেলে আগের মতো পরের দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে না। কয়েক ঘণ্টা পর quota refresh হলে আবার Gemini Notebook ব্যবহার করা যাবে।

কিন্তু সপ্তাহের মোট allowance শেষ করে ফেললে পাঁচ ঘণ্টার refresh আর আপনাকে বাঁচাবে না। তখন weekly quota reset হওয়ার জন্য অপেক্ষা করতে হবে অথবা বেশি limit পাওয়া subscription plan-এ upgrade করতে হবে।

সহজভাবে বললে, daily bucket-এর বদলে এখন ছোট ছোট পাঁচ ঘণ্টার bucket + একটা বড় weekly ceiling থাকছে। তবে Google নির্দিষ্টভাবে কত compute unit পাওয়া যাবে, এমন সহজ সংখ্যা প্রকাশ করেনি।

একই ১০টি কাজের খরচও এক হবে না

এটাই নতুন ব্যবস্থার সবচেয়ে বড় পার্থক্য। ধরুন Gemini Notebook-এ ১০টি সাধারণ প্রশ্ন করলেন, আর অন্যদিকে ১০টি Video Overview তৈরি করতে বললেন—দুটোর usage একই হওয়ার কথা নয়।

কারণ নতুন system শুধু request count দেখছে না। কাজটা সম্পন্ন করতে কতটা compute প্রয়োজন হচ্ছে, সেটাও বিবেচনায় নিচ্ছে।

এতে হালকা কাজ করা user-এর জন্য সুবিধা হতে পারে। আগে fixed generation limit-এর কারণে সহজ কাজ করেও quota শেষ হওয়ার সুযোগ ছিল, এখন resource usage অনুযায়ী হিসাবটা তুলনামূলক flexible হবে।

অন্যদিকে নিয়মিত heavy output তৈরি করলে limit আগের চেয়ে কিছুটা কম predictable মনে হতে পারে। কারণ “আর ঠিক কতবার ব্যবহার করতে পারব?”—এর উত্তর সবসময় একটা নির্দিষ্ট সংখ্যা দিয়ে দেওয়া যাবে না।

কতটা Limit বাকি, সেটা দেখা যাবে

ভালো ব্যাপার হলো Google পুরো হিসাবটা আড়ালে রাখছে না। Gemini Notebook-এর interface থেকেই AI usage কতটা বাকি আছে এবং কখন limit refresh হবে, সেটা দেখা যাবে।

Google-এর Help documentation অনুযায়ী, chat-এর নিচে এমন message দেখা যেতে পারে যে আপনি usage limit-এর কাছাকাছি চলে এসেছেন। Limit শেষ হলে কখন আবার ব্যবহার করা যাবে, সেই সময়ও দেখানো হবে।

Studio generation-এর ক্ষেত্রেও কাজ শুরু করার আগে expected AI usage সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যাবে। কাজটি যত বেশি compute চাইবে, usage indicator-এর bar তত বেশি পূর্ণ হবে।

এটা বেশ কাজে লাগতে পারে। বড় একটা Video Overview বানানোর আগে যদি দেখেন quota প্রায় শেষ, তখন সেটার বদলে ছোট বা কম resource-intensive output বেছে নেওয়া যাবে।

Heavy Task এখন পরে করার জন্য রেখে দেওয়া যাবে

নতুন system-এর আরেকটি কাজের feature হলো Generate later। ধরুন একটা Video Overview বা Slide Deck বানাতে চান, কিন্তু সেই মুহূর্তে আপনার available limit যথেষ্ট নেই।

Google বলছে, তখন কাজটি পরে করার জন্য রেখে দেওয়া যাবে। Limit refresh হওয়ার পর Gemini Notebook automatically সেই output তৈরি করবে এবং কাজ শেষ হলে notification দেওয়ার ব্যবস্থাও থাকবে।

Google-এর official announcement অনুযায়ী, Generate later প্রথমে web version-এ আসবে। বিশেষ করে বড় notebook নিয়ে কাজ করা user-এর জন্য featureটি বেশ সুবিধাজনক হতে পারে।

মানে quota শেষ হলেই আবার সবকিছু মনে রেখে পাঁচ ঘণ্টা পর ফিরে এসে button চাপতে হবে—এমন নয়। Heavy কাজ queue-তে রেখে অন্য কাজে চলে যাওয়া যাবে।

Free আর Paid User-এর Limit এক হবে না

Compute-based system সবার জন্য এলেও usage allowance এক হবে না। Google-এর official Help documentation অনুযায়ী subscription tier যত উপরে যাবে, standard limit-এর তুলনায় allowance তত বাড়বে।

Plan Usage Limit
Free / Without a plan Standard limit
Google AI Plus Standard-এর 2×
Google AI Pro Standard-এর 4×
Google AI Ultra Pro-এর তুলনায় 5× বা 20×

Ultra-এর ক্ষেত্রে 5× নাকি 20× পাওয়া যাবে, সেটা subscription-এর ধরন অনুযায়ী বদলাতে পারে। তাই শুধু “Ultra মানেই 20×” বলা ঠিক হবে না।

আরেকটা বিষয় হলো Google এখন পর্যন্ত standard limit-কে সহজ কোনো prompt number দিয়ে প্রকাশ করেনি। ফলে “Free user প্রতি পাঁচ ঘণ্টায় ঠিক ৫০টি prompt পাবেন”—এমন সংখ্যা বলা যাবে না।

কেন এমন ব্যবস্থা আনছে Google?

এর পেছনের যুক্তিটা মোটামুটি পরিষ্কার। AI-এর সব কাজ চালাতে একই পরিমাণ computing resource লাগে না, তাই শুধু prompt গুনে usage হিসাব করাটা সবসময় খুব যৌক্তিক নয়।

একটা ছোট summary তৈরি করা আর বহু source বিশ্লেষণ করে Video Overview বানানো এক ধরনের কাজ নয়। নতুন compute-based system এই পার্থক্যটাই usage limit-এর মধ্যে ধরতে চাইছে।

Google এর আগে Gemini app-এও একই ধরনের compute-based limit চালু করেছে। Gemini Apps-এর official usage documentation অনুযায়ী, সেখানেও complexity, model, feature এবং chat length-এর ভিত্তিতে usage হিসাব করা হয়।

তাই Gemini Notebook-এর পরিবর্তনটা আলাদা কোনো experiment মনে হচ্ছে না। Google ধীরে ধীরে তাদের AI product-গুলোতে একই ধরনের resource-based usage model নিয়ে যাচ্ছে।

২ সেপ্টেম্বর থেকেই পরিবর্তন শুরু

নতুন compute-based usage limits ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ থেকে consumer account-এ rollout শুরু হবে। Google বলছে web এবং mobile—দুই জায়গাতেই পরিবর্তনটি আসবে।

একই সঙ্গে মনে রাখা ভালো, NotebookLM-এর নামও সম্প্রতি বদলে Gemini Notebook করা হয়েছে। Google-এর official announcement অনুযায়ী, এটি এখনও standalone research product, তবে Gemini ecosystem-এর সঙ্গে integration আরও গভীর হচ্ছে।

তাই পুরোনো NotebookLM user হলে নতুন নাম দেখে আলাদা কোনো Google product ভেবে বিভ্রান্ত হওয়ার দরকার নেই। মূল research tool-টাই এখন Gemini Notebook নামে এগোচ্ছে।

সাধারণ User-এর জন্য পরিবর্তনটা ভালো, নাকি খারাপ?

হালকা ও মাঝারি ব্যবহার করলে নতুন system সুবিধাজনক হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি। সকালে limit শেষ করে ফেললেও পুরো দিন বসে থাকার বদলে পাঁচ ঘণ্টা পর আবার কাজ করার সুযোগ পাওয়া যাবে।

কিন্তু যারা নিয়মিত বড় Video Overview, Slide Deck বা অনেক source নিয়ে complex research করেন, তাদের জন্য usage আগের চেয়ে একটু কম predictable হতে পারে। কোন কাজ কতটা quota নেবে, সেটা এখন কাজের complexity-এর ওপর নির্ভর করবে।

তবে usage indicator এবং Generate later থাকার কারণে অন্তত quota কোথায় যাচ্ছে, সেটা বোঝার সুযোগ থাকবে। তাই পরিবর্তনটাকে শুধু limit কমানো বা বাড়ানো হিসেবে দেখলে পুরো ছবিটা ধরা যাবে না।

শেষ কথা

Headline দেখে মনে হতে পারে Google বুঝি Gemini Notebook-এর daily limit তুলে দিয়ে ব্যবহারকারীদের আরও স্বাধীনতা দিচ্ছে। বাস্তবে পরিবর্তনটা আরও flexible, কিন্তু একই সঙ্গে একটু বেশি জটিল

Fixed daily generation count-এর বদলে এখন prompt complexity, chat length, source এবং feature অনুযায়ী compute usage হিসাব হবে। Limit প্রতি পাঁচ ঘণ্টায় refresh হবে, কিন্তু মাথার ওপর weekly cap থেকেই যাবে।

হালকা কাজ করলে নতুন system বেশ সুবিধার হতে পারে। আবার নিয়মিত heavy AI generation করলে আগের মতো “আজ আর তিনটা generation বাকি”—এমন সহজ হিসাব করা কঠিন হবে।

তাই ২ সেপ্টেম্বরের পর Gemini Notebook ব্যবহার করার সময় সবচেয়ে কাজের জায়গাটা হবে AI usage indicator। কোন কাজ কতটা quota খাচ্ছে, কয়েকদিন ব্যবহার করলেই নিজের কাজের ধরন অনুযায়ী একটা পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যাবে।

রাসেল আকন্দ
রাসেল আকন্দhttps://technicalbd.com
রাসেল আকন্দ TechnicalBD-এর লেখক ও সম্পাদক। তিনি স্মার্টফোন, কম্পিউটার, গ্যাজেট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং দৈনন্দিন প্রযুক্তি নিয়ে সহজ ও তথ্যভিত্তিক বাংলায় লেখেন। নতুন প্রযুক্তির খবর যাচাই করে বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য ব্যবহারযোগ্যভাবে উপস্থাপন করাই তাঁর লেখার মূল লক্ষ্য।
সম্পর্কিত পোস্ট

জনপ্রিয় পোস্ট