হোমপিসি কম্পোনেন্টসProcessor-এর গরমেই ঠান্ডা হবে Processor! Fan-Motor ছাড়াই Cooling-এর নতুন প্রযুক্তি

Processor-এর গরমেই ঠান্ডা হবে Processor! Fan-Motor ছাড়াই Cooling-এর নতুন প্রযুক্তি

Processor গরম হচ্ছে, আর সেই গরম দিয়েই তাকে ঠান্ডা করা হচ্ছে!

Gaming PC কিংবা powerful workstation ব্যবহার করলে Processor-এর Heat নিয়ে আলাদা করে বোঝানোর দরকার পড়ে না। Heavy load শুরু হলেই CPU গরম হয়, তারপর সেই Heat বের করতে Fan, Air Cooler কিংবা Liquid Cooling system ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

কিন্তু এবার গবেষকেরা ঠিক উল্টো একটা ধারণা দেখিয়েছেন—Processor বা Data Center থেকে বের হওয়া Heat-ই যদি আবার Cooling তৈরির কাজে ব্যবহার করা যায়?

Germany-এর Karlsruhe Institute of Technology (KIT) এবং Japan-এর University of Tsukuba-এর গবেষকেরা এমন একটি motorless Solid-State Cooling system তৈরি করেছেন, যেখানে conventional electric motor ছাড়াই Heat থেকে mechanical movement তৈরি করে Cooling করা সম্ভব হয়েছে।

মূল গবেষণাটি Nature Energy-তে প্রকাশিত হয়েছে, আর KIT-এর official announcement অনুযায়ী ভবিষ্যতে Processor-এর নিজের waste heat দিয়েই Processor Cooling করার সম্ভাবনা রয়েছে।

PC Cooling ও নতুন hardware technology নিয়ে আরও লেখা পাওয়া যাবে TechnicalBD-এর PC Components বিভাগে

Fan নেই, Compressor নেই—তাহলে ঠান্ডা করছে কীভাবে?

এই প্রযুক্তির সবচেয়ে interesting অংশ হলো এর ভেতরে কোনো traditional cooling fan বা electrically driven compressor নেই। বরং ব্যবহার করা হয়েছে দুটি অতি পাতলা Shape Memory Alloy film

প্রথম filmটি Titanium-Nickel বা TiNi দিয়ে তৈরি, যার পুরুত্ব মাত্র 22 micrometer। এটিকে Heat দিলে নিজের আগের shape-এ ফেরার চেষ্টা করে এবং সংকুচিত হয়। এই movement-টাই এখানে electric motor-এর কাজ করছে।

এর সঙ্গে mechanically যুক্ত রয়েছে 26.5 micrometer পুরু Titanium-Nickel-Iron বা TiNiFe film। প্রথম filmটি Heat পেয়ে সংকুচিত হলে দ্বিতীয় film-কে stretch করে, আর পরে সেই চাপ ছেড়ে দিলে material-এর ভেতরে phase transition ঘটে এবং Heat absorb করে ঠান্ডা হয়।

সহজ করে বললে—

Heat → Movement → Material Stretch → Cooling

অর্থাৎ সাধারণ Cooler যেখানে Processor-এর Heat বাইরে বের করে দেয়, এই system-এর লক্ষ্য হলো available Heat-এর একটা অংশকেই Cooling cycle চালানোর শক্তি হিসেবে কাজে লাগানো।

নতুন Cooling System এক নজরে

বিষয় তথ্য
Technology Heat-driven Elastocaloric Cooling
গবেষক KIT + University of Tsukuba
Traditional Motor প্রয়োজন নেই
Refrigerant Gas প্রয়োজন নেই
Actuator Material 22 µm TiNi film
Cooling Material 26.5 µm TiNiFe film
86°C Joule Heating Test Device-level 4.0 K temperature span
130°C External Heat Test Device-level 2.2 K temperature span
বর্তমান Cooling Power মাত্র 2.09 milliwatts
সম্ভাব্য ব্যবহার Processor, Data Center, Vehicle Electronics
বর্তমান অবস্থা Early-stage Prototype

আসল মজাটা Waste Heat-এ

আপনার PC-এর CPU 100W power ব্যবহার করলে শেষ পর্যন্ত সেই energy-এর বড় অংশই Heat হিসেবে environment-এ চলে যায়। এজন্য CPU-এর ওপর heatsink বসাই, Fan ঘোরাই এবং আরও powerful system হলে Liquid Cooler ব্যবহার করি।

বর্তমান Air Cooler কীভাবে এই Heat সামলায়, তার বাস্তব উদাহরণ হিসেবে TechnicalBD-এর Ocypus Delta A62 EX Digital CPU Cooler review দেখতে পারেন। সেখানে দুটি 120mm Fan এবং ছয়টি Heatpipe ব্যবহার করে Processor-এর Heat সরানোর ব্যবস্থা রয়েছে।

নতুন Solid-State conceptটা এখানেই আলাদা। গবেষকেরা দেখিয়েছেন, বাইরে থেকে 130°C Heat source ব্যবহার করেও prototypeটি 2.2 K device-level temperature difference ধরে রাখতে পেরেছে।

অর্থাৎ Cooling তৈরি করতে যে Heat দরকার, সেটি নতুন করে electricity দিয়ে তৈরি না করে ভবিষ্যতে Data Center বা অন্য system-এর আগে থেকেই থাকা waste heat থেকেও নেওয়া সম্ভব হতে পারে।

Data Center-এর জন্য বিষয়টা আরও বড়

একটা Gaming PC ঠান্ডা রাখতে কয়েকটা Fan লাগলে খুব বেশি চিন্তার বিষয় মনে হয় না। কিন্তু হাজার হাজার CPU, GPU এবং AI accelerator একসঙ্গে চলা Data Center-এ Cooling নিজেই বিশাল engineering challenge।

Server থেকে বের হওয়া Heat সরাতে আবার Cooling system চালাতে electricity লাগে। ফলে computing-এর পাশাপাশি temperature নিয়ন্ত্রণেও আলাদা energy খরচ হয়।

এই গবেষণা ভবিষ্যতে বড় scale-এ কাজ করলে একটি interesting cycle তৈরি হতে পারে—Data Center-এর কোনো অংশ থেকে বের হওয়া waste heat ব্যবহার করে অন্য অংশের Cooling system চালানো।

Tom’s Hardware-ও তাদের প্রতিবেদনে এই সম্ভাবনাটাই সামনে এনেছে।

তবে এখানে একটা বিষয় পরিষ্কার রাখা জরুরি—একটা Processor নিজের তৈরি Heat দিয়েই নিজেকে পুরোপুরি ঠান্ডা করে ফেলবে, এমন কোনো magic system এটি নয়। বরং এক জায়গার available waste heat ব্যবহার করে Cooling cycle চালানোর energy পাওয়া—এটাই মূল ধারণা।

Shape Memory Alloy আবার কী?

নামটা কঠিন শোনালেও conceptটা বেশ মজার। কিছু বিশেষ metal alloy-কে deform করার পর নির্দিষ্ট condition-এ নিয়ে গেলে সেটি আগের shape-এ ফিরে যেতে পারে। এজন্য এগুলোকে Shape Memory Alloy বলা হয়।

এই research-এ একই ধরনের material-এর thermal ও mechanical behaviour কাজে লাগানো হয়েছে। Heat দিলে একটি film movement তৈরি করছে, আর সেই movement অন্য film-কে stretch ও release করে Cooling effect তৈরি করছে।

Elastocaloric Cooling-এর ক্ষেত্রে material-কে mechanical pressure বা stretch দিলে সেটি Heat release করে। সেই pressure ছেড়ে দিলে reverse phase transition-এর সময় material Heat absorb করে এবং ঠান্ডা হয়।

ফলে conventional refrigerator-এর মতো refrigerant gas ঘুরিয়ে compressor চালানোর বদলে solid metal alloy-ই এখানে Cooling-এর মূল কাজ করছে।

বর্তমান CPU Cooler কি তাহলে বাদ যাবে?

একদমই না। এখানেই headline দেখে বেশি excited না হয়ে বাস্তব সংখ্যাটা দেখা দরকার।

বর্তমান prototypeটির Cooling Power মাত্র 2.09 milliwatts। অন্যদিকে আধুনিক desktop Processor load-এর সময় কয়েক দশক থেকে কয়েকশ watt পর্যন্ত Heat তৈরি করতে পারে।

অর্থাৎ আপনার Ryzen বা Intel CPU-এর ওপর থাকা Cooler খুলে আগামী বছর এই technology বসিয়ে দেওয়ার মতো অবস্থায় আমরা এখনো পৌঁছাইনি।

বর্তমান traditional Air Cooling কতটা শক্তিশালী হতে পারে, সেটা TechnicalBD-এর Cooler Master V8 ACE 3DHP review-এও দেখা যায়। তাই আজকের PC build-এর জন্য Air Cooler বা Liquid Cooler-ই বাস্তব সমাধান।

গবেষকেরাও বর্তমান system-কে feasibility study হিসেবে দেখছেন। এখন তারা একাধিক film parallel-এ যুক্ত করে Cooling capacity বাড়ানোর চেষ্টা করছেন।

তাহলে Research-টা এত গুরুত্বপূর্ণ কেন?

2.09 milliwatts শুনে technologyটাকে অকার্যকর মনে হতে পারে। কিন্তু prototype-এর উদ্দেশ্য এখনই 200W CPU ঠান্ডা করা ছিল না; মূল প্রশ্ন ছিল—Heat দিয়ে motor ছাড়াই Elastocaloric Cooling cycle চালানো সম্ভব কি না।

সেই জায়গায় experiment সফল হয়েছে।

86°C Joule Heating ব্যবহার করে deviceটি 4.0 K temperature span তৈরি করেছে। আবার external 130°C Heat source ব্যবহার করেও 2.2 K temperature span পাওয়া গেছে।

গবেষকেরা এখন Cooling capacity বাড়ানো, Heat transfer উন্নত করা, operating speed বাড়ানো এবং দীর্ঘ সময় material কতটা টেকসই থাকে—এসব নিয়ে কাজ করবেন।

শুধু PC নয়, গাড়িতেও কাজে লাগতে পারে

KIT-এর official তথ্য অনুযায়ী সম্ভাব্য ব্যবহার শুধু Processor বা Data Center-এ সীমাবদ্ধ নয়। গাড়ির drivetrain থেকে বের হওয়া Heat ব্যবহার করে sensitive electronics ঠান্ডা রাখার ক্ষেত্রেও একই concept কাজে লাগতে পারে।

Solar thermal energy-ও Heat source হিসেবে ব্যবহারের সম্ভাবনা রয়েছে। ফলে ভবিষ্যতে এমন জায়গায় Cooling তৈরি করা যেতে পারে, যেখানে conventional compressor চালানোর জন্য electricity খরচ কমানো গুরুত্বপূর্ণ।

আর refrigerant gas না লাগার কারণে environmental দিক থেকেও Elastocaloric Cooling-এর আলাদা সুবিধা রয়েছে।

বাংলাদেশের জন্য কেন খবরটা interesting?

বাংলাদেশের সাধারণ PC user-এর জন্য এখনই এই technology কিনে ব্যবহার করার সুযোগ নেই। তবে আমাদের মতো গরম আবহাওয়ার দেশে PC, Server Room এবং Data Center Cooling এমনিতেই বড় বিষয়।

বিশেষ করে দেশে Data Center ও Cloud infrastructure যত বাড়বে, equipment চালানোর পাশাপাশি Cooling-এর electricity cost-ও গুরুত্বপূর্ণ হবে। তাই waste heat-এর একটা অংশকে আবার Cooling তৈরির কাজে ব্যবহার করা গেলে দীর্ঘমেয়াদে energy efficiency বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হতে পারে।

তবে সেটি বাস্তবে কতটা economical হবে, কত বছর লাগবে এবং commercial system-এর efficiency কেমন হবে—এসব প্রশ্নের উত্তর এখনো পাওয়া যায়নি।

ছোট্ট Prototype, কিন্তু Idea-টা বিশাল

আজকের হিসাবে এই Solid-State Cooler কোনো Noctua, Cooler Master কিংবা Liquid AIO-এর competitor নয়। 2.09 milliwatts Cooling Power দিয়ে modern CPU ঠান্ডা করা সম্ভব নয়, আর technologyটি এখনো laboratory prototype পর্যায়ে রয়েছে।

কিন্তু researchers যে জিনিসটা প্রমাণ করেছেন, সেটাই বেশি interesting—Heat থেকে movement তৈরি করে, সেই movement দিয়ে আবার Cooling তৈরি করা সম্ভব, তাও conventional electric motor ছাড়াই।

আজ আমরা Processor-এর Heat যত দ্রুত সম্ভব case-এর বাইরে ফেলে দেওয়ার চেষ্টা করি। ভবিষ্যতে সেই Heat-এর একটা অংশই যদি Cooling system চালাতে কাজে লাগে, তাহলে PC ও Data Center thermal management-এর হিসাবটাই বদলে যেতে পারে।

এখনই Fan খুলে ফেলার সময় আসেনি।

কিন্তু কয়েক বছর পর CPU Cooler বলতে শুধু Fan + Heatsink + Heatpipe-ই বুঝব কি না—সেই প্রশ্নটা এই ছোট্ট prototype অন্তত তুলে দিয়েছে।

রাসেল আকন্দ
রাসেল আকন্দhttps://technicalbd.com
রাসেল আকন্দ TechnicalBD-এর লেখক ও সম্পাদক। তিনি স্মার্টফোন, কম্পিউটার, গ্যাজেট, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং দৈনন্দিন প্রযুক্তি নিয়ে সহজ ও তথ্যভিত্তিক বাংলায় লেখেন। নতুন প্রযুক্তির খবর যাচাই করে বাংলাদেশের পাঠকদের জন্য ব্যবহারযোগ্যভাবে উপস্থাপন করাই তাঁর লেখার মূল লক্ষ্য।
সম্পর্কিত পোস্ট

জনপ্রিয় পোস্ট