HomeComputerএকাধিক মনিটর ব্যবহার করছেন? উইন্ডোজের এই সেটিংসগুলো এখনই পরিবর্তন করুন

একাধিক মনিটর ব্যবহার করছেন? উইন্ডোজের এই সেটিংসগুলো এখনই পরিবর্তন করুন

পিসির কার্যক্ষমতা এবং মাল্টিটাস্কিংয়ের অভিজ্ঞতা বহুগুণ বাড়িয়ে দিতে ডুয়াল বা একাধিক মনিটর (Multiple Monitors) ব্যবহার করার জুড়ি নেই। তবে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেমে কেবল মনিটরগুলো প্লাগ-ইন করলেই সেরা অভিজ্ঞতা পাওয়া যায় না।

জনপ্রিয় টেক পোর্টাল TweakTown-এর সাম্প্রতিক এক নির্দেশিকায় জানানো হয়েছে যে, কয়েকটি সাধারণ উইন্ডোজ সেটিংস পরিবর্তন করলেই মাল্টি-মনিটর সেটআপকে আরও অনেক বেশি নিখুঁত ও আরামদায়ক করে তোলা সম্ভব।

একাধিক মনিটর ব্যবহারের ক্ষেত্রে উইন্ডোজের কোন গুরুত্বপূর্ণ সেটিংসগুলো আপনার এখনই পরিবর্তন করা উচিত, তা নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:

১. সঠিক ডিসপ্লে মোড ও মনিটর বিন্যাস (Layout & Extend)

  • এক্সটেন্ড (Extend) মোড ব্যবহার: একাধিক স্ক্রিনের পুরো সুবিধা পেতে উইন্ডোজের ডিসপ্লে মোড সবসময় ‘Extend’ এ সেট রাখতে হবে, যাতে প্রতিটি মনিটরকে আলাদা বড়Workspace হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

  • শারীরিক পজিশনের সাথে মিল রাখা: ডেস্কটপে মনিটরগুলো যেভাবে সামনাসামনি রাখা আছে, সেটিংস থেকেও (Settings > System > Display) ঠিক একইভাবে মনিটর আইকনগুলো ড্র্যাগ করে সাজাতে হবে। তা না হলে মাউসের কার্সর এক স্ক্রিন থেকে অন্য স্ক্রিনে নেওয়ার সময় আটকে যেতে পারে। এ সম্পর্কিত আরও আপডেট জানতে আমাদের মেইন সাইট হোমপেজ ভিজিট করতে পারেন।

২. মূল ডিসপ্লে (Main Display) এবং রিফ্রেশ রেট ঠিক করা

  • প্রাইমারি ডিসপ্লে নির্বাচন: উইন্ডোজের স্টার্ট মেনু, নোটিফিকেশন বা গেমগুলো ডিফল্টভাবে যে স্ক্রিনে ওপেন হবে, সেটি নির্ধারণ করতে সঠিক মনিটরটিকে “Make this my main display” হিসেবে সিলেক্ট করুন।

  • নেটিভ রেজুলেশন ও রিফ্রেশ রেট: প্রতিটি মনিটরের আলাদা আলাদা নেটিভ রেজুলেশন এবং সর্বোচ্চ রিফ্রেশ রেট (Advanced Display সেটিংসে গিয়ে) ম্যানুয়ালি নিশ্চিত করতে হবে, যাতে ডিসপ্লে সবসময় ক্রিস্টাল ক্লিয়ার ও স্মুথ থাকে। এই ধরনের টেক ব্লগ ও হার্ডওয়্যার গাইড পড়তে আমাদের টেক ব্লগ ক্যাটাগরি ঘুরে দেখতে পারেন।

উইন্ডোজ মাল্টি-মনিটর সেটিংস কনফিগার করার সঠিক নিয়ম সুবিধা
Display Arrangement Settings > System > Display থেকে স্ক্রিনগুলোর অবস্থান সাজানো মাউস কার্সরের সাবলীল ও নির্ভুল মুভমেন্ট নিশ্চিত হয়।
Refresh Rate Adjustment Advanced Display অপশন থেকে সর্বোচ্চ হার্জ (Hz) সিলেক্ট করা গেমিং ও স্ক্রিন স্ক্রোলিংয়ে দুর্দান্ত স্মুথ অভিজ্ঞতা পাওয়া যায়।
Window Memory Location “Remember window locations based on monitor connection” অন করা ল্যাপটপ বা এক্সটার্নাল মনিটর ডিসকানেক্ট করে পুনরায় যুক্ত করলে উইন্ডোজ আগের জায়গায় ফিরে আসে।

৩. উপসংহার

আপনি যদি আপনার ওয়ার্কস্টেশন বা গেমিং রিগে একাধিক মনিটর ব্যবহার করে থাকেন, তবে সাধারণ এই উইন্ডোজ সেটিংসগুলো ঠিক করে নেওয়া আপনার দৈনন্দিন কাজকে অনেক বেশি স্বাচ্ছন্দ্যময় করে তুলবে।

এ সম্পর্কিত আরও পিসি হার্ডওয়্যার ও ট্রিকস পড়তে আমাদের পিসি হার্ডওয়্যার গাইড পড়তে পারেন।

একই রকমের লেখা সমূহ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

জনপ্রিয় পোস্ট

মন্তব্য সমূহবাংলা
মুল্যবান মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ