Site icon গ্যাজেট রিভিউ, সেরা টেক টিপস ও ট্রিক্স

লাইডার ও থার্মাল ড্রোন নিষিদ্ধ করতে চাইছে FCC: সংকটে জনপ্রিয় DJI মডেলগুলো

প্রযুক্তি বিশ্বে ড্রোনপ্রেমীদের জন্য বড় একটি দুসংবাদ হাজির হলো। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল কমিউনিকেশনস কমিশন (FCC) তাদের পূর্ব অনুমোদিত বেশ কিছু বিদেশি ড্রোন বিক্রির ওপর নতুন করে নিষেধাজ্ঞা জারির সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। এই তালিকায় রয়েছে উন্নত LiDAR (লাইডার) সেন্সর, থার্মাল ইমেজিং এবং অ্যারোসল স্প্রে করার প্রযুক্তি সংবলিত ড্রোনগুলো।

কেন এই কঠোর সিদ্ধান্ত?

যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা সংস্থাগুলোর মতে, ড্রোনগুলোতে ব্যবহৃত উচ্চমাত্রার লাইডার ও থার্মাল সেন্সর সেনসিটিভ তথ্য সংগ্রহের কাজে ব্যবহৃত হতে পারে। এফসিসি (FCC) প্রকাশিত প্রস্তাবনায় জানানো হয়েছে, যেসব ড্রোনে “সামরিক সক্ষমতা” কিংবা নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরির মতো অ্যাডভান্সড ফিচার রয়েছে, সেগুলোকে আমেরিকান বাজারে নিষিদ্ধ করার পরিকল্পনা চলছে।

এর আগে ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেই বিদেশি ড্রোন ও কিছু যন্ত্রাংশের ওপর প্রাথমিক নিষেধাজ্ঞা আনা হয়েছিল। তবে এবার সেই কড়াকড়ি আরও বাড়িয়ে আগে অনুমোদন পাওয়া মডেলগুলোর ওপরেও বিক্রয় নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তাব করা হয়েছে।

সাধারণ ব্যবহারকারী ও প্রফেশনালদের ওপর প্রভাব

এই সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার প্রভাব পড়তে যাচ্ছে কনজিউমার ও কমার্শিয়াল—উভয় খাতের ড্রোনের ওপর:

তবে আশার কথা হলো—যারা ইতোমধ্যে এসব ড্রোন কিনে ফেলেছেন, তাদের ড্রোন ব্যবহারে কোনো বাধা থাকবে না। এই নিয়ম কেবল নতুন ড্রোন বিক্রি এবং আমদানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে।

খুচরা যন্ত্রাংশ ও আপডেট নিয়ে উদ্বেগ

নতুন ড্রোন কেনার পথ বন্ধ হওয়া ছাড়াও আগের ব্যবহারকারীরাও পরোক্ষ ঝুঁকিতে পড়বেন। কোনো ড্রোন বাজার থেকে পুরোপুরি ব্যান হয়ে গেলে সেটির অফিশিয়াল পার্টস, ব্যাটারি কিংবা নিয়মিত সফ্টওয়্যার আপডেট পাওয়া কঠিন হয়ে পড়বে।

বিশ্বখ্যাত ড্রোন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান DJI এই পদক্ষেপের তীব্র বিরোধিতা করে বলেছে, এটি তাদের পূর্ববর্তী নীতির সম্পূর্ণ বিপরীত। আগামী ২ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত FCC এই বিষয়ে পাবলিক মতামত গ্রহণ করবে, যার পরেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে।

মেটা ডেসক্রিপশন (SEO): FCC লাইডার ও থার্মাল সেন্সরযুক্ত ড্রোন বিক্রিতে নিষেধাজ্ঞা দেওয়ার প্রস্তাব করেছে। জানুন DJI Air 3S সহ জনপ্রিয় ড্রোনগুলোর ভবিষ্যৎ কী হতে যাচ্ছে।

Source link

Exit mobile version